, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জমির কাগজে জালিয়াতির দিন শেষ, ডিজিটাল সার্ভে হলেই বন্ধ হবে প্রতারণা: মীর হেলাল বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার নতুন বার্তা, ৬ মাসে নেবে ২ লাখ কর্মী “ইয়াবার সঙ্গে মিলল পুলিশের লুট হওয়া গুলি” নাফ নদীতে ধাওয়া করে ফেলা বস্তা উদ্ধার, মিলল ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-মাদক দমনে সময় বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাটির নিচে পুঁতে রাখা ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ ফোবানা সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী মাকে হত্যার পর ফোন বন্ধ, ১৭ ঘণ্টায় পিবিআইয়ের হাতে ছেলে মালয়েশিয়ায় চাকরির প্রলোভনে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ টোল প্লাজার কাছে থামল বাস, তল্লাশিতে বের হলো ৭ কেজি গাঁজা

জমির কাগজে জালিয়াতির দিন শেষ, ডিজিটাল সার্ভে হলেই বন্ধ হবে প্রতারণা: মীর হেলাল

  • প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে
  • ১৭ পড়া হয়েছে

ডিজিটাল সার্ভে শেষ হলে ভূমি জালিয়াতি চিরতরে বন্ধ হবে: মীর হেলাল

স্বাধীন খবর হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ২৯ আগস্ট ২০২৬

ডিজিটাল সার্ভে সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে দেশে নির্ভুল ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে এবং ভূমি নিয়ে জালিয়াতি চিরতরে বন্ধ হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।


শনিবার চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে সেবাপ্রার্থীদের জন্য নির্মিত আধুনিক বিশ্রামাগার ‘সেবা কুঞ্জ’ উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে ভূমির রেকর্ডে ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না। এর ফলে ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ কমার পাশাপাশি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

তিনি বলেন, ভূমি সেবাকে শতভাগ জনবান্ধব ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। ভূমি কর্মকর্তাদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘ভূমি দৃষ্টি’ নামে একটি বিশেষ অ্যাপ চালু করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস প্রাঙ্গণে থাকলে অ্যাপটিতে ‘সবুজ সংকেত’ এবং বাইরে গেলে ‘লাল সংকেত’ প্রদর্শিত হবে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ও সেবা প্রদানের বিষয়টি সহজেই নজরদারি করা যাবে। এতে ভূমি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।

সেবাপ্রার্থীদের জন্য ‘সেবা কুঞ্জ’ নির্মাণ প্রসঙ্গে মীর হেলাল বলেন, সরকারি সেবা নিতে এসে সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের অস্বস্তিতে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই আধুনিক এই বিশ্রামাগার তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা চাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতীতের দুর্নাম ঘুচিয়ে দেশের ভূমি মালিকদের ন্যায়, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে।”

চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (বিডিএস) কার্যক্রম শুরু প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের দক্ষিণ পাহাড়তলীতে বিডিএসের পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে আধুনিক এ জরিপ কার্যক্রম চালু হয়েছে।

নতুন ডিজিটাল সার্ভে ব্যবস্থা চালু হলে ভূমিসংক্রান্ত জালিয়াতি বন্ধ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর সুফল সরাসরি পাবেন সাধারণ মানুষ। ভূমি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের নানা জটিলতা দূর করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দিনের অন্যান্য কর্মসূচি
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাটহাজারীতে অগ্নিকাণ্ড, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ঢেউটিন বিতরণ করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী।

পরে মির্জাপুরে ‘ফার্মার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ উদ্বোধন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে রোপা আমনের চারা বিতরণ করেন তিনি।
এ ছাড়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া পার্বতী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানগুলোতে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

জমির কাগজে জালিয়াতির দিন শেষ, ডিজিটাল সার্ভে হলেই বন্ধ হবে প্রতারণা: মীর হেলাল

জমির কাগজে জালিয়াতির দিন শেষ, ডিজিটাল সার্ভে হলেই বন্ধ হবে প্রতারণা: মীর হেলাল

প্রকাশের সময় : ২ ঘন্টা আগে

ডিজিটাল সার্ভে শেষ হলে ভূমি জালিয়াতি চিরতরে বন্ধ হবে: মীর হেলাল

স্বাধীন খবর হাটহাজারী (চট্টগ্রাম), ২৯ আগস্ট ২০২৬

ডিজিটাল সার্ভে সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে দেশে নির্ভুল ভূমি ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে এবং ভূমি নিয়ে জালিয়াতি চিরতরে বন্ধ হবে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।


শনিবার চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা ভূমি অফিস প্রাঙ্গণে সেবাপ্রার্থীদের জন্য নির্মিত আধুনিক বিশ্রামাগার ‘সেবা কুঞ্জ’ উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ভূমি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল সার্ভে সম্পন্ন হলে ভবিষ্যতে ভূমির রেকর্ডে ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না। এর ফলে ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ কমার পাশাপাশি দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

তিনি বলেন, ভূমি সেবাকে শতভাগ জনবান্ধব ও নির্বিঘ্ন করতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। ভূমি কর্মকর্তাদের যথাসময়ে অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ‘ভূমি দৃষ্টি’ নামে একটি বিশেষ অ্যাপ চালু করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারী অফিস প্রাঙ্গণে থাকলে অ্যাপটিতে ‘সবুজ সংকেত’ এবং বাইরে গেলে ‘লাল সংকেত’ প্রদর্শিত হবে। এর মাধ্যমে কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ও সেবা প্রদানের বিষয়টি সহজেই নজরদারি করা যাবে। এতে ভূমি সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত হবে।

সেবাপ্রার্থীদের জন্য ‘সেবা কুঞ্জ’ নির্মাণ প্রসঙ্গে মীর হেলাল বলেন, সরকারি সেবা নিতে এসে সাধারণ মানুষ যাতে কোনো ধরনের অস্বস্তিতে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই আধুনিক এই বিশ্রামাগার তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “আমরা চাই ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতীতের দুর্নাম ঘুচিয়ে দেশের ভূমি মালিকদের ন্যায়, নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতে।”

চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে বাংলাদেশ ডিজিটাল সার্ভে (বিডিএস) কার্যক্রম শুরু প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের দক্ষিণ পাহাড়তলীতে বিডিএসের পাইলটিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে আধুনিক এ জরিপ কার্যক্রম চালু হয়েছে।

নতুন ডিজিটাল সার্ভে ব্যবস্থা চালু হলে ভূমিসংক্রান্ত জালিয়াতি বন্ধ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর সুফল সরাসরি পাবেন সাধারণ মানুষ। ভূমি ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘদিনের নানা জটিলতা দূর করতেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

দিনের অন্যান্য কর্মসূচি
দিনব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে হাটহাজারীতে অগ্নিকাণ্ড, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ঢেউটিন বিতরণ করেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী।

পরে মির্জাপুরে ‘ফার্মার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ উদ্বোধন এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে রোপা আমনের চারা বিতরণ করেন তিনি।
এ ছাড়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া পার্বতী সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানগুলোতে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মামুন, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।