, রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার নতুন বার্তা, ৬ মাসে নেবে ২ লাখ কর্মী “ইয়াবার সঙ্গে মিলল পুলিশের লুট হওয়া গুলি” নাফ নদীতে ধাওয়া করে ফেলা বস্তা উদ্ধার, মিলল ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-মাদক দমনে সময় বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাটির নিচে পুঁতে রাখা ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ ফোবানা সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী মাকে হত্যার পর ফোন বন্ধ, ১৭ ঘণ্টায় পিবিআইয়ের হাতে ছেলে মালয়েশিয়ায় চাকরির প্রলোভনে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ টোল প্লাজার কাছে থামল বাস, তল্লাশিতে বের হলো ৭ কেজি গাঁজা গুলি ছুড়ে পালানোর চেষ্টা, সীমান্তে পিস্তল-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-মাদক দমনে সময় বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে
  • ২০ পড়া হয়েছে

সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-মাদক দমনে সময় বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাধীন খবর ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৬

লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।


আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে পুলিশ সদর দপ্তর আয়োজিত ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সম্মেলনে (এপ্রিল–জুন ২০২৬) প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারী অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

পিস্তল, রিভলবার ও শটগানের মতো অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে দেওয়া হবে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া সাউন্ড গ্রেনেড, লুণ্ঠিত টিয়ারগ্যাস শেলসহ অন্যান্য লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের ক্ষেত্রবিশেষে ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, অস্ত্র উদ্ধারে যারা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন, তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ইতিমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এসব ইউনিটের মাধ্যমে অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব অস্ত্রের বাতিল করা লাইসেন্স জমা দেওয়া হয়নি, সেগুলো ইতিমধ্যে অবৈধ অস্ত্র হিসেবে গণ্য করে মামলা করা হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অপরাধ দমনে পুলিশের জবাবদিহির বিষয়টিও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সারাদেশে অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় বিশেষ কৌশলগত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এবং পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব ও জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিত কৌশলগত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

এ সময় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেনসহ বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, মেট্রোপলিটন এলাকার পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে বিভিন্ন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও চলমান অভিযান নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার নতুন বার্তা, ৬ মাসে নেবে ২ লাখ কর্মী

সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-মাদক দমনে সময় বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১৬ ঘন্টা আগে

সন্ত্রাস-চাঁদাবাজি-মাদক দমনে সময় বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বাধীন খবর ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৬

লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।


আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর রাজারবাগে বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে পুলিশ সদর দপ্তর আয়োজিত ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সম্মেলনে (এপ্রিল–জুন ২০২৬) প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারী অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিয়ে সহায়তাকারীকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে।

পিস্তল, রিভলবার ও শটগানের মতো অস্ত্র উদ্ধারে তথ্য দিলে দেওয়া হবে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা। এ ছাড়া সাউন্ড গ্রেনেড, লুণ্ঠিত টিয়ারগ্যাস শেলসহ অন্যান্য লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে তথ্যদাতাদের ক্ষেত্রবিশেষে ১০ হাজার, ১৫ হাজার ও ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যদাতাদের পরিচয় গোপন রাখার আশ্বাস দিয়ে মন্ত্রী বলেন, অস্ত্র উদ্ধারে যারা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন, তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

তিনি বলেন, লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ইতিমধ্যে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে বিশেষ ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এসব ইউনিটের মাধ্যমে অভিযান আরও জোরদার করা হচ্ছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যেসব অস্ত্রের বাতিল করা লাইসেন্স জমা দেওয়া হয়নি, সেগুলো ইতিমধ্যে অবৈধ অস্ত্র হিসেবে গণ্য করে মামলা করা হয়েছে। এসব অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অপরাধ দমনে পুলিশের জবাবদিহির বিষয়টিও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়েছে। ওই সময়ের মধ্যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সারাদেশে অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় বিশেষ কৌশলগত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন এবং পুলিশ বাহিনীকে আরও জনবান্ধব ও জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে নিয়মিত কৌশলগত পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।

এ সময় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেনসহ বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, মেট্রোপলিটন এলাকার পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ও বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপাররা উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে বিভিন্ন এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও চলমান অভিযান নিয়ে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।