, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাটির নিচে পুঁতে রাখা ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ ফোবানা সম্মেলনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী মাকে হত্যার পর ফোন বন্ধ, ১৭ ঘণ্টায় পিবিআইয়ের হাতে ছেলে মালয়েশিয়ায় চাকরির প্রলোভনে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১ টোল প্লাজার কাছে থামল বাস, তল্লাশিতে বের হলো ৭ কেজি গাঁজা গুলি ছুড়ে পালানোর চেষ্টা, সীমান্তে পিস্তল-ইয়াবাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক শিক্ষা শুধু ডিগ্রি নয়, মানুষ হওয়ার শিক্ষাও জরুরি: ডিসি জাহিদ ডিএমপির গণমাধ্যম শাখায় নতুন উপকমিশনার আকতার হোসেন রৌফবাদে ‘নিষেধাজ্ঞার’ মধ্যেই জমি কেনাবেচা, উঠছে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ টেকনাফে পিকআপে মিলল এক লাখ ইয়াবা, গ্রেপ্তার ২

মাকে হত্যার পর ফোন বন্ধ, ১৭ ঘণ্টায় পিবিআইয়ের হাতে ছেলে

  • প্রকাশের সময় : ১১ ঘন্টা আগে
  • ১৮ পড়া হয়েছে

মাকে হত্যার পর ফোন বন্ধ, ১৭ ঘণ্টায় পিবিআইয়ের হাতে ছেলে

স্বাধীন খবর যশোর প্রতিনিধি:

যশোরে মাকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার অভিযোগে ছেলে মো. মামুনুর রশিদকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৭ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

নিহত আনোয়ারা খাতুন (৬৫) যশোরের কোতয়ালী থানার বাজেদূর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. আলতাফ হোসেনের স্ত্রী।

পিবিআই জানায়, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে মামুনুর রশিদ তার মায়ের কাছে গোসলের জন্য গামছা চান। এ সময় পারিবারিক বিষয় নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে মামুনুর পাশে থাকা তরকারি কাটার বটি দিয়ে মায়ের পিঠে কোপ দেন। মাটিতে পড়ে গেলে তাকে এলোপাতাড়ি কোপানোর পর জবাই করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মঞ্জুর হাসান বাদী হয়ে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কোতয়ালী মডেল থানায় মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

পিবিআই যশোর জেলা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। তদন্ত করছেন এসআই (নিরস্ত্র) রতন মিয়া।

তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে যশোর কোতয়ালী থানার ৮ নম্বর দেয়াড়া ইউনিয়নের তেঘরিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআইয়ের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুর রশিদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

তদন্তে জানা গেছে, মামুনুর রশিদের প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী পারিবারিকভাবে বনিবনা না হওয়ায় তাকে ছেড়ে চলে যান। এ ঘটনায় তিনি তার মাকে দায়ী করে আসছিলেন। এ নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ হতো। ওই বিরোধের জেরেই মাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

হত্যাকাণ্ডের পর মামুনুর মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।

ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

 

জনপ্রিয়

মাটির নিচে পুঁতে রাখা ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

মাকে হত্যার পর ফোন বন্ধ, ১৭ ঘণ্টায় পিবিআইয়ের হাতে ছেলে

প্রকাশের সময় : ১১ ঘন্টা আগে

মাকে হত্যার পর ফোন বন্ধ, ১৭ ঘণ্টায় পিবিআইয়ের হাতে ছেলে

স্বাধীন খবর যশোর প্রতিনিধি:

যশোরে মাকে কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যার অভিযোগে ছেলে মো. মামুনুর রশিদকে (৪৩) গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১৭ ঘণ্টার মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

নিহত আনোয়ারা খাতুন (৬৫) যশোরের কোতয়ালী থানার বাজেদূর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. আলতাফ হোসেনের স্ত্রী।

পিবিআই জানায়, বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে মামুনুর রশিদ তার মায়ের কাছে গোসলের জন্য গামছা চান। এ সময় পারিবারিক বিষয় নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

একপর্যায়ে মামুনুর পাশে থাকা তরকারি কাটার বটি দিয়ে মায়ের পিঠে কোপ দেন। মাটিতে পড়ে গেলে তাকে এলোপাতাড়ি কোপানোর পর জবাই করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তিনি।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মঞ্জুর হাসান বাদী হয়ে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) কোতয়ালী মডেল থানায় মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

পিবিআই যশোর জেলা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। তদন্ত করছেন এসআই (নিরস্ত্র) রতন মিয়া।

তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে আসামির অবস্থান শনাক্ত করে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে যশোর কোতয়ালী থানার ৮ নম্বর দেয়াড়া ইউনিয়নের তেঘরিয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআইয়ের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামুনুর রশিদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

তদন্তে জানা গেছে, মামুনুর রশিদের প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী পারিবারিকভাবে বনিবনা না হওয়ায় তাকে ছেড়ে চলে যান। এ ঘটনায় তিনি তার মাকে দায়ী করে আসছিলেন। এ নিয়ে মা-ছেলের মধ্যে প্রায়ই বিরোধ হতো। ওই বিরোধের জেরেই মাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

হত্যাকাণ্ডের পর মামুনুর মোবাইল ফোন বন্ধ করে আত্মগোপনে চলে যান।

ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পিবিআই। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।