মালয়েশিয়ায় চাকরির প্রলোভনে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
প্রকাশের সময় :
১২ ঘন্টা আগে
১৮
পড়া হয়েছে
মালয়েশিয়ায় চাকরির প্রলোভনে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ১
স্বাধীন খবর :
খুলনায় ছয়জনকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ; আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি খুলনায় ছয়জনকে উচ্চ বেতনে মালয়েশিয়ায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মো. পলাশ আলী নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেপ্তারের পর তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পিবিআই।
পিবিআই খুলনা জেলা জানায়, খুলনা নগরের লবণচরা থানার ঠিকরাবাদ এলাকার বাসিন্দা আলাউল কবির খাঁর সঙ্গে পবিত্র মজুমদারের মাধ্যমে পলাশ আলীর পরিচয় হয়। পরে পলাশ আলাউল কবিরের ছয় নিকটাত্মীয়কে উচ্চ বেতনে মালয়েশিয়ায় চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেন।
প্রত্যেককে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা করে এবং ভিসা ও অন্যান্য কাগজপত্র তৈরির জন্য অগ্রিম টাকা দাবি করেন পলাশ। তাঁর কথায় বিশ্বাস করে আলাউল কবির বিভিন্ন সময়ে ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে তাঁকে মোট ১৭ লাখ টাকা দেন।
পরে চাকরিপ্রার্থীদের ঢাকায় নিয়ে মেডিকেল পরীক্ষাও করানো হয়। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাঁদের মালয়েশিয়ায় পাঠানো হয়নি। এভাবে বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন পলাশ। পিবিআইয়ের ভাষ্য, সর্বশেষ গত ১৫ আগস্ট পলাশ আলাউল কবিরকে জানান, চাকরিপ্রার্থীদের আর মালয়েশিয়ায় পাঠাতে পারবেন না এবং নেওয়া টাকাও ফেরত দিতে পারবেন না।
এ ঘটনায় আলাউল কবির বাদী হয়ে পলাশ আলীসহ দুজনের বিরুদ্ধে ২৩ আগস্ট লবণচরা থানায় মামলা করেন। মামলায় দণ্ডবিধির ৪০৬ ও ৪২০ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরে পিবিআই খুলনা জেলা স্বউদ্যোগে মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে। মামলাটি তদন্ত করছেন পিবিআইয়ের উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. হাবিবুর রহমান।
তদন্তের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পলাশ আলীর অবস্থান শনাক্ত করে পিবিআই। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১টা ৪৫ মিনিটে ময়মনসিংহ সদর থানার গোলপুকুরপাড় এলাকার কর অঞ্চল ভবনের কাছ থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পিবিআই জানায়, জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে উচ্চ বেতনে মালয়েশিয়ায় চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১৭ লাখ টাকা নেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। গ্রেপ্তারের পর পলাশ আলী আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
মামলার সঙ্গে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। মামলাটির তদন্তও চলমান রয়েছে।