জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে প্রযুক্তিনির্ভর ও আধুনিক করতে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ব্যবস্থা চালু হলে সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নথি ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। এতে কাগজের ব্যবহার কমার পাশাপাশি সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় হবে।
ই-পার্লামেন্ট বাস্তবায়ন বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে সংসদীয় কার্যক্রমে গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বাড়ানোর পাশাপাশি নথি ব্যবস্থাপনায়ও আধুনিকতা আসবে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), দাতা দেশ ও দাতা সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী পর্যায়ে এসব সহযোগিতা গ্রহণ করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ই-পার্লামেন্ট চালু হলে সংসদের কাগজনির্ভর কার্যক্রম অনেকটাই কমে আসবে। নথি সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা ও আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে। এতে সংসদীয় কার্যক্রম আরও দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে।
পেপারবিহীন সংসদের পথে নতুন পদক্ষেপ
পেপারবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নকে গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে সংসদের কার্যক্রমে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করার সুযোগ তৈরি হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও প্রয়োজন অনুযায়ী আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের কাছ থেকে কারিগরি সহায়তা নেওয়া হবে। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম পরিচালনায় ডিজিটাল রূপান্তরের একটি নতুন অধ্যায় শুরু হতে পারে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।