, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশের উদ্যোগকে মডেল বলল ইউএনসিটিএড ভূমিকম্প আসার আগেই প্রস্তুতি নিতে হবে: দুর্যোগমন্ত্রী রিমার্কের পথ ধরে কসমেটিকসে আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে রপ্তানির আশা পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র বন্ধে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল ছদ্মবেশে ১৪ বছর আত্মগোপন, সাতকানিয়ায় হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার নেপালের বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বাংলাদেশের ১০ লাখ ডলার বনানীতে ডাকাতির প্রস্তুতি, বিদেশি পিস্তল-হ্যান্ডকাফ সহ ৫ জন গ্রেপ্তার দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে চট্টগ্রামে গণসংহতির সমাবেশ গেন্ডারিয়ায় গোলাগুলি, বিদেশি পিস্তল ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ ইজতেমার তারিখ ঠিক, মাঠ নিয়ে এখনো মতের অমিল

পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র বন্ধে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল

  • প্রকাশের সময় : ১২ ঘন্টা আগে
  • ২১ পড়া হয়েছে

পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র বন্ধে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল

স্বাধীন খবর :

পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

গতকাল বুধবার রাতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকিসংক্রান্ত বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মীর হেলাল বলেন, কোথাও গোলাগুলি হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ, বিজিবি বা সেনাবাহিনী পাঠিয়ে কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা টেকসই সমাধান নয়। মানুষের আত্মকর্মসংস্থান ও উন্নত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও সহিংসতা কমে আসবে।

তিনি বলেন, স্থায়ী পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়। সরকার আইনি, সামাজিক, শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক—সব দিক বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। দুর্গম এলাকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে ই-লার্নিং ও মানসম্মত শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, শিক্ষায় সমতা নিশ্চিত করা গেলে পাহাড় ও সমতলের মানুষের বৈষম্য কমবে। পাশাপাশি পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বাবলম্বী ও সুস্থ জীবনযাপনের সুযোগ পাওয়া মানুষ সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডে জড়াতে চাইবে না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গণতন্ত্র ও সুশাসনের প্রসঙ্গ তুলে মীর হেলাল বলেন, জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক। সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ড পরিহার করে পার্বত্য অঞ্চলকে মাদকমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, রাঙামাটি জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দিপু, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিনসহ জেলা বিএনপি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

জনপ্রিয়

বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশের উদ্যোগকে মডেল বলল ইউএনসিটিএড

পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র বন্ধে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল

প্রকাশের সময় : ১২ ঘন্টা আগে

পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র বন্ধে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল

স্বাধীন খবর :

পার্বত্য চট্টগ্রামে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান পরিচালনা করে পার্বত্য চট্টগ্রামের সংঘাতের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়িয়ে সমাজ থেকে অন্ধকার দূর করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

গতকাল বুধবার রাতে রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে আইনশৃঙ্খলা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকিসংক্রান্ত বিশেষ সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

মীর হেলাল বলেন, কোথাও গোলাগুলি হলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ, বিজিবি বা সেনাবাহিনী পাঠিয়ে কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা টেকসই সমাধান নয়। মানুষের আত্মকর্মসংস্থান ও উন্নত শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা গেলে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার ও সহিংসতা কমে আসবে।

তিনি বলেন, স্থায়ী পরিবর্তন রাতারাতি সম্ভব নয়। সরকার আইনি, সামাজিক, শিক্ষাগত ও অর্থনৈতিক—সব দিক বিবেচনায় নিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করছে। দুর্গম এলাকার শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে ই-লার্নিং ও মানসম্মত শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, শিক্ষায় সমতা নিশ্চিত করা গেলে পাহাড় ও সমতলের মানুষের বৈষম্য কমবে। পাশাপাশি পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্বাবলম্বী ও সুস্থ জীবনযাপনের সুযোগ পাওয়া মানুষ সন্ত্রাসী বা বিচ্ছিন্নতাবাদী কর্মকাণ্ডে জড়াতে চাইবে না বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গণতন্ত্র ও সুশাসনের প্রসঙ্গ তুলে মীর হেলাল বলেন, জনগণই দেশের প্রকৃত মালিক। সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থী কর্মকাণ্ড পরিহার করে পার্বত্য অঞ্চলকে মাদকমুক্ত ও শান্তিপূর্ণ হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফির সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটির সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান, রাঙামাটি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ নাজমুল হক, রাঙামাটি জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার দিপু, পুলিশ সুপার মো. আব্দুর রকিব, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত শারমিনসহ জেলা বিএনপি ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।