, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশের উদ্যোগকে মডেল বলল ইউএনসিটিএড ভূমিকম্প আসার আগেই প্রস্তুতি নিতে হবে: দুর্যোগমন্ত্রী রিমার্কের পথ ধরে কসমেটিকসে আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে রপ্তানির আশা পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্র বন্ধে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে: মীর হেলাল ছদ্মবেশে ১৪ বছর আত্মগোপন, সাতকানিয়ায় হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার নেপালের বন্যা-ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য বাংলাদেশের ১০ লাখ ডলার বনানীতে ডাকাতির প্রস্তুতি, বিদেশি পিস্তল-হ্যান্ডকাফ সহ ৫ জন গ্রেপ্তার দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানি সংকট নিরসনের দাবিতে চট্টগ্রামে গণসংহতির সমাবেশ গেন্ডারিয়ায় গোলাগুলি, বিদেশি পিস্তল ও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪ ইজতেমার তারিখ ঠিক, মাঠ নিয়ে এখনো মতের অমিল

ইজতেমার তারিখ ঠিক, মাঠ নিয়ে এখনো মতের অমিল

  • প্রকাশের সময় : ১৭ ঘন্টা আগে
  • ১৯ পড়া হয়েছে

ইজতেমার তারিখ ঠিক, মাঠ নিয়ে এখনো মতের অমিল

স্বাধীন খবর ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রেখে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে ইজতেমা আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।


বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের সাদপন্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ, আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, তাবলিগ জামাতের সাদপন্থী অংশের মুরব্বিদের সঙ্গে আজকের বৈঠকে ইজতেমার আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর আগে জুবায়েরপন্থী অংশের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা করেছে সরকার।

তিনি বলেন, সবার মতামত বিবেচনায় নিয়ে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম পর্ব ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

টঙ্গীর মাঠ ব্যবহারে দুই পক্ষের দাবি
ইজতেমার স্থান ও অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উভয় পক্ষই টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছে।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে জুবায়েরপন্থী ও সাদপন্থীদের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্ত স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেখানে সাদপন্থী অনুসারীরা টঙ্গী ময়দানে ইজতেমা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

তবে আজকের বৈঠকে সাদপন্থী প্রতিনিধিরা ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে টঙ্গীর মাঠে তাদের অংশগ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
মন্ত্রী জানান, সাদপন্থীরা প্রস্তাব দিয়েছেন—দুই পর্বের ইজতেমা শেষ হওয়ার পর রমজানের আগে অথবা নভেম্বরের শেষ দিকে যৌক্তিক সময়ের ব্যবধান রেখে টঙ্গী ময়দানে এক পর্বে ইজতেমা আয়োজন করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উভয় পক্ষের সঙ্গে আরও আলোচনা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতামত নিয়ে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মাওলানা সাদের আগমন নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মাওলানা সাদ সাহেবের বাংলাদেশে আগমন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি ভিসা নীতি ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে
দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আগের সময়ের তুলনায় দেশের সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাওয়া কেন্দ্রভিত্তিক ও জেলাভিত্তিক সংকলিত তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, হত্যা, অপহরণ, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের হার অনেক কমেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টায় জনগণের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীতে এক শিক্ষিকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনার উদাহরণ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং অপরাধীদের ব্যবহৃত মালামাল জব্দ করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা মনিটরিং ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা বা গাফিলতির সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়মিত মনিটর করছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিস্থিতি আরও উন্নত ও টেকসই করতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।


বৈঠকে যারা ছিলেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। এছাড়া স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং তাবলিগ জামাতের সাদপন্থী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ, আইনশৃঙ্খলা, সার্বিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে জুবায়েরপন্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুরূপ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

 

জনপ্রিয়

বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে বাংলাদেশের উদ্যোগকে মডেল বলল ইউএনসিটিএড

ইজতেমার তারিখ ঠিক, মাঠ নিয়ে এখনো মতের অমিল

প্রকাশের সময় : ১৭ ঘন্টা আগে

ইজতেমার তারিখ ঠিক, মাঠ নিয়ে এখনো মতের অমিল

স্বাধীন খবর ঢাকা, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রেখে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে বিশ্ব ইজতেমা আয়োজন করতে সরকার বদ্ধপরিকর। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করে তাবলিগ জামাতের দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে ইজতেমা আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।


বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে তাবলিগ জামাত বাংলাদেশের সাদপন্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ, আইনশৃঙ্খলা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মন্ত্রী জানান, তাবলিগ জামাতের সাদপন্থী অংশের মুরব্বিদের সঙ্গে আজকের বৈঠকে ইজতেমার আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর আগে জুবায়েরপন্থী অংশের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও আলোচনা করেছে সরকার।

তিনি বলেন, সবার মতামত বিবেচনায় নিয়ে ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম পর্ব ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং দ্বিতীয় পর্ব ১৫ থেকে ১৭ জানুয়ারি টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

টঙ্গীর মাঠ ব্যবহারে দুই পক্ষের দাবি
ইজতেমার স্থান ও অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উভয় পক্ষই টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা মাঠ ব্যবহারের দাবি জানিয়েছে।

তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময়ে জুবায়েরপন্থী ও সাদপন্থীদের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে একটি সিদ্ধান্ত স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেখানে সাদপন্থী অনুসারীরা টঙ্গী ময়দানে ইজতেমা করবেন না বলে সিদ্ধান্ত হয়েছিল।

তবে আজকের বৈঠকে সাদপন্থী প্রতিনিধিরা ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে টঙ্গীর মাঠে তাদের অংশগ্রহণের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
মন্ত্রী জানান, সাদপন্থীরা প্রস্তাব দিয়েছেন—দুই পর্বের ইজতেমা শেষ হওয়ার পর রমজানের আগে অথবা নভেম্বরের শেষ দিকে যৌক্তিক সময়ের ব্যবধান রেখে টঙ্গী ময়দানে এক পর্বে ইজতেমা আয়োজন করা যেতে পারে।

তিনি বলেন, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উভয় পক্ষের সঙ্গে আরও আলোচনা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মতামত নিয়ে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মাওলানা সাদের আগমন নিয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মাওলানা সাদ সাহেবের বাংলাদেশে আগমন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি ভিসা নীতি ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত। সংশ্লিষ্ট নীতিমালা অনুযায়ী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে
দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আগের সময়ের তুলনায় দেশের সামগ্রিক অপরাধ পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
পুলিশ সদর দপ্তর থেকে পাওয়া কেন্দ্রভিত্তিক ও জেলাভিত্তিক সংকলিত তথ্যের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, হত্যা, অপহরণ, নারী নির্যাতনসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধের হার অনেক কমেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরলস প্রচেষ্টায় জনগণের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

সম্প্রতি রাজধানীতে এক শিক্ষিকা ছিনতাইয়ের শিকার হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনার উদাহরণ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঘটনার মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং অপরাধীদের ব্যবহৃত মালামাল জব্দ করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা মনিটরিং ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাহিনীর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অসহযোগিতা বা গাফিলতির সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকার অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়মিত মনিটর করছে। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিস্থিতি আরও উন্নত ও টেকসই করতে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।


বৈঠকে যারা ছিলেন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ শামীম কায়সার। এছাড়া স্বরাষ্ট্র ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং তাবলিগ জামাতের সাদপন্থী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১৮ আগস্ট ২০২৬ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বিশ্ব ইজতেমার তারিখ নির্ধারণ, আইনশৃঙ্খলা, সার্বিক নিরাপত্তা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে জুবায়েরপন্থী প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুরূপ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল।