দুই দিন পর বিএসএফের গুলিতে নিহত আসাদুলের মরদেহ হস্তান্তর
প্রকাশের সময় :
৮ ঘন্টা আগে
১৭
পড়া হয়েছে
দুই দিন পর বিএসএফের গুলিতে নিহত আসাদুলের মরদেহ হস্তান্তর
স্বাধীন খবর ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশি নাগরিক আসাদুল ইসলামের মরদেহ দুই দিন পর পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে মরদেহটি নিহতের স্ত্রী ও চাচাতো ভাইয়ের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের রামনা-চান্দোহর সীমান্তের ৩৩৩/২-এস সীমান্ত পিলারসংলগ্ন শূন্যরেখায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে বিএসএফ মরদেহটি বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে।
বৈঠকে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লা আল মইনের নেতৃত্বে বিজিবির প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। অপরদিকে ভারতের চাদগাঁও বিএসএফ ক্যাম্পের কমান্ডার সূরিয়া পালের নেতৃত্বে বিএসএফের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় বৈরচুনা বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার শাহ আলম, পীরগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল হাকিমসহ বিজিবি ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রোববার সকাল ১১টা ও সন্ধ্যা ৬টার দিকে একই সীমান্ত এলাকায় দুই দফা পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মরদেহ হস্তান্তরসহ সীমান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার রাতে পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের ভবানীপুর-সংলগ্ন ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের গুলিতে আসাদুল ইসলাম নিহত হন।
এ ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশি—ইন্দ্রইল গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে মোস্তাকিন এবং মনসা বর্মনের ছেলে উষা চন্দ্র রায়—আহত হয়ে বিএসএফের হাতে আটক হন বলে জানা গেছে। একই গ্রামের মৃত তাশির উদ্দীনের ছেলে আইয়ুব আলী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে ফিরে বর্তমানে আত্মগোপনে রয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্র দাবি করেছে।
দুই দিন পর মরদেহ হস্তান্তরের ঘটনায় সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। ঘটনাটি নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আরও আলোচনা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।