, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শার্শা সীমান্তে সাড়ে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ অপরাধী চক্রের লাগাম টানতে ২৪ বছর পর ‘ক্লিন হার্ট’-এর আদলে অভিযান সত্য ও বস্তুনিষ্ঠতার অঙ্গীকারে সিআরএর নতুন সদস্যদের বরণ পার্কিংয়ে দোকান, সড়কে গাড়ি—জিইসি মোড়ে অনিয়মের জট ল্যাবএইডে ডেলিভারি চিকিৎসার খরচ নিয়ে প্রশ্ন, ৬৫ হাজার থেকে বিল ৯৮ হাজার চলন্ত ট্রাক থেকে স্ক্র্যাপ লোহা চুরি, চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ নজরদারি বাংলাদেশে অফিস খুলতে মেটাকে শামা ওবায়েদের আহ্বান আইনে স্বীকৃতি, তবু বদলায়নি গৃহকর্মীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে অজয় বাঙ্গার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক প্রাথমিক শিক্ষায় এআই: এবার শিক্ষক প্রশিক্ষণে জোর

অপরাধী চক্রের লাগাম টানতে ২৪ বছর পর ‘ক্লিন হার্ট’-এর আদলে অভিযান

  • প্রকাশের সময় : ২৩ ঘন্টা আগে
  • ২১ পড়া হয়েছে

জমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকাতে রাজধানীতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে; চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা

স্বাধীন খবর নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জমি দখল, চাঁদাবাজি, হামলা ও অপরাধী চক্রের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের অভিযানের চিন্তাভাবনা চলছে। ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর আদলে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।
তবে নতুন কোনো অভিযানকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ নামে ঘোষণা করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিষয়টি প্রাথমিক আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারের উচ্চপর্যায়ে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বিরোধপূর্ণ জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা সামনে এসেছে। এসব ঘটনার মধ্যে ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রোপার্টিজ, মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিক, মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এবং আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ের ঘটনাগুলো বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা মদদদাতাদের শনাক্তের চেষ্টা করছে।

নজরদারিতে অপরাধী চক্র

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবরসহ কয়েকটি এলাকায় অপরাধী চক্রের তৎপরতা নিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। চাঁদাবাজি, জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সক্রিয় ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু মাঠপর্যায়ে অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নয়, এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে থাকা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ভূমিকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও চেকপোস্ট জোরদারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সমকাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে ‘ভিন্ন’ ধরনের বড় অভিযানের বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে চিন্তাভাবনা চলছে। ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’কে এ ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হিসেবে সামনে রাখা হয়েছে।

কী ছিল ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’

২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ পরিচালিত হয়। ওই অভিযানে প্রতিরক্ষা বাহিনী, তৎকালীন বিডিআর, পুলিশ, আনসার ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যরা অংশ নেন। উদ্দেশ্য ছিল অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি।
তৎকালীন সময়ে অভিযানে বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিকে আটক ও অস্ত্র উদ্ধারের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে অভিযানের সময় হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের দায়মুক্তি দিতে করা আইন নিয়েও আইনি প্রশ্ন ওঠে।

দায়মুক্তি আইন বাতিল

অপারেশন ক্লিন হার্টের পর ২০০৩ সালে ‘যৌথ অভিযান দায়মুক্তি আইন’ করা হয়েছিল। ওই আইনের মাধ্যমে ২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত পরিচালিত যৌথ অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তির বিধান রাখা হয়।
২০১৫ সালে হাইকোর্ট ওই দায়মুক্তি আইনকে অবৈধ ও সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করেন। আদালত বলেন, অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বা দেওয়ানি প্রতিকার চাইতে পারবেন এবং ক্ষতিপূরণের দাবিও তুলতে পারবেন।

নতুন অভিযানের ক্ষেত্রে আইনি কাঠামোই গুরুত্বপূর্ণ

এবার যদি বড় ধরনের কোনো অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অভিযানের আইনি কাঠামো, জবাবদিহি ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হলে শুধু গ্রেপ্তার অভিযান নয়—অপরাধের অর্থের উৎস, অস্ত্র সরবরাহ, নেপথ্যের মদদদাতা এবং সংগঠিত অপরাধের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করাও জরুরি।
পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও চেকপোস্ট জোরদারের কথা জানানো হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকা ও অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তাদের আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে বলেও জানানো হয়েছে।

তবে ২৪ বছর আগের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো কোনো অভিযান এবার বাস্তবে শুরু হবে কি না, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রয়েছে।

 

জনপ্রিয়

শার্শা সীমান্তে সাড়ে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

অপরাধী চক্রের লাগাম টানতে ২৪ বছর পর ‘ক্লিন হার্ট’-এর আদলে অভিযান

প্রকাশের সময় : ২৩ ঘন্টা আগে

জমি দখল, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী তৎপরতা ঠেকাতে রাজধানীতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে; চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে উচ্চপর্যায়ে আলোচনা

স্বাধীন খবর নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জমি দখল, চাঁদাবাজি, হামলা ও অপরাধী চক্রের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে বড় ধরনের অভিযানের চিন্তাভাবনা চলছে। ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর আদলে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা যায় কি না, তা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে।
তবে নতুন কোনো অভিযানকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ নামে ঘোষণা করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিষয়টি প্রাথমিক আলোচনা পর্যায়ে রয়েছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরকারের উচ্চপর্যায়ে এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা হতে পারে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বিরোধপূর্ণ জমি দখলকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা সামনে এসেছে। এসব ঘটনার মধ্যে ইসিবি চত্বরের নিউ গিনি প্রোপার্টিজ, মিরপুরের রাড্ডা ক্লিনিক, মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যান এবং আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ের ঘটনাগুলো বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এসব ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি নেপথ্যে থাকা মদদদাতাদের শনাক্তের চেষ্টা করছে।

নজরদারিতে অপরাধী চক্র

সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজধানীর মিরপুর, মোহাম্মদপুর, আদাবরসহ কয়েকটি এলাকায় অপরাধী চক্রের তৎপরতা নিয়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। চাঁদাবাজি, জমি দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সক্রিয় ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, শুধু মাঠপর্যায়ে অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া নয়, এসব কর্মকাণ্ডের পেছনে থাকা ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ভূমিকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও চেকপোস্ট জোরদারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সমকাল-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও মাদকসংক্রান্ত অপরাধ দমনে ‘ভিন্ন’ ধরনের বড় অভিযানের বিষয়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে চিন্তাভাবনা চলছে। ২০০২ সালের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’কে এ ক্ষেত্রে একটি উদাহরণ হিসেবে সামনে রাখা হয়েছে।

কী ছিল ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’

২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’ পরিচালিত হয়। ওই অভিযানে প্রতিরক্ষা বাহিনী, তৎকালীন বিডিআর, পুলিশ, আনসার ও বেসামরিক প্রশাসনের সদস্যরা অংশ নেন। উদ্দেশ্য ছিল অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার, সন্ত্রাস দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি।
তৎকালীন সময়ে অভিযানে বিপুলসংখ্যক ব্যক্তিকে আটক ও অস্ত্র উদ্ধারের তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে অভিযানের সময় হেফাজতে মৃত্যু ও নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। পরবর্তী সময়ে অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্যদের দায়মুক্তি দিতে করা আইন নিয়েও আইনি প্রশ্ন ওঠে।

দায়মুক্তি আইন বাতিল

অপারেশন ক্লিন হার্টের পর ২০০৩ সালে ‘যৌথ অভিযান দায়মুক্তি আইন’ করা হয়েছিল। ওই আইনের মাধ্যমে ২০০২ সালের ১৬ অক্টোবর থেকে ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত পরিচালিত যৌথ অভিযানের সময় সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের জন্য দায়মুক্তির বিধান রাখা হয়।
২০১৫ সালে হাইকোর্ট ওই দায়মুক্তি আইনকে অবৈধ ও সংবিধানবিরোধী ঘোষণা করেন। আদালত বলেন, অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তাঁর পরিবারের সদস্যরা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বা দেওয়ানি প্রতিকার চাইতে পারবেন এবং ক্ষতিপূরণের দাবিও তুলতে পারবেন।

নতুন অভিযানের ক্ষেত্রে আইনি কাঠামোই গুরুত্বপূর্ণ

এবার যদি বড় ধরনের কোনো অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি অভিযানের আইনি কাঠামো, জবাবদিহি ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হলে শুধু গ্রেপ্তার অভিযান নয়—অপরাধের অর্থের উৎস, অস্ত্র সরবরাহ, নেপথ্যের মদদদাতা এবং সংগঠিত অপরাধের নেটওয়ার্ক শনাক্ত করাও জরুরি।
পুলিশ সদর দপ্তরের পক্ষ থেকে সাম্প্রতিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও চেকপোস্ট জোরদারের কথা জানানো হয়েছে। অপরাধপ্রবণ এলাকা ও অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে তাদের আইনের আওতায় আনার কার্যক্রম চলছে বলেও জানানো হয়েছে।

তবে ২৪ বছর আগের ‘অপারেশন ক্লিন হার্ট’-এর মতো কোনো অভিযান এবার বাস্তবে শুরু হবে কি না, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের দিকেই নজর রয়েছে।