, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
. ৯ ও ১১ বছর বয়সে কোরআন হিফজ, উম্মুলক্বোরা মহিলা একাডেমিতে আনন্দের আয়োজন ইস্টার্ন রিফাইনারিতে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, পদোন্নতি ঘিরেও প্রশ্ন সাংবাদিকের নিরাপত্তা চেয়ে সিএমপি কমিশনারের কাছে সিআরএর স্মারকলিপি পুনর্বিনিয়োগের জোরে তিন মাসে এফডিআই ৩৪৭ মিলিয়ন ডলার আন্তর্জাতিক সংসদীয় অঙ্গনে বাংলাদেশের দুই অর্জন হুমকির জবাব কর্মসূচিতে, সিআরএর ঘোষণা ‘মার্চ টু পুলিশ কমিশনার’ সালাম না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ম্যাক্সে কর্মীকে মারধরের অভিযোগ দুর্গাপূজায় নৌপথের নিরাপত্তায় বাড়ছে নজরদারি, ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ শার্শা সীমান্তে সাড়ে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ অপরাধী চক্রের লাগাম টানতে ২৪ বছর পর ‘ক্লিন হার্ট’-এর আদলে অভিযান

ইস্টার্ন রিফাইনারিতে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, পদোন্নতি ঘিরেও প্রশ্ন

  • প্রকাশের সময় : ১০ ঘন্টা আগে
  • ৩৫১ পড়া হয়েছে

ইস্টার্ন রিফাইনারিতে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, পদোন্নতি ঘিরেও প্রশ্ন

স্বাধীন খবর চট্টগ্রাম

দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অফিসকক্ষে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ উঠেছে। একই কর্মকর্তার পদোন্নতির ধারাবাহিকতা ও প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা মো. তারিক হোসেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। অভিযোগকারীর দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কথা বলেন। কথোপকথনে তিনি নিজেকে হাজী বলেও পরিচয় দেন বলে দাবি করা হয়েছে।

পদোন্নতির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন

অভিযোগকারীদের দাবি, তারিক হোসেন প্রথমে পারচেজ ম্যানেজার, পরে স্টোর ম্যানেজার এবং এরপর সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে উন্নীত হন। বিপুল অর্থের বিনিময় তিনি পদোন্নতি হন কিন্তু তাঁর পদোন্নতির সময়কাল, যোগ্যতার বিবরণ, প্রযোজ্য বিধিমালা এবং সংশ্লিষ্ট আদেশ পর্যালোচনা হয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার চাকরির নথিতে কোনো বিভাগীয় অভিযোগ ছিল কি না এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ

ইস্টার্ন রিফাইনারি দেশের জ্বালানি খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল শিল্পপ্রতিষ্ঠান। সেখানে অফিসকক্ষে নিষিদ্ধ মাদক সেবনের অভিযোগ সত্য হলে তা শুধু কর্মশৃঙ্খলার বিষয় নয়, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলবে।

নারীদের পানীয়তে মাদক মেশানোর অভিযোগ

প্রদত্ত তথ্যে, প্রতিষ্ঠানের বাইরে কয়েকজন নারীকে তাঁদের অজান্তে পানীয়ের সঙ্গে ইয়াবা মিশিয়ে খাওয়ানোর অভিযোগও করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ

মো. তারিক হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, পদোন্নতির আদেশ এবং কোনো বিভাগীয় তদন্ত হয়েছে কি না—এসব তথ্য জানা প্রয়োজন। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি।

অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে তা কার্যকর হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

. ৯ ও ১১ বছর বয়সে কোরআন হিফজ, উম্মুলক্বোরা মহিলা একাডেমিতে আনন্দের আয়োজন

ইস্টার্ন রিফাইনারিতে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, পদোন্নতি ঘিরেও প্রশ্ন

প্রকাশের সময় : ১০ ঘন্টা আগে

ইস্টার্ন রিফাইনারিতে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, পদোন্নতি ঘিরেও প্রশ্ন

স্বাধীন খবর চট্টগ্রাম

দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসির এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অফিসকক্ষে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ উঠেছে। একই কর্মকর্তার পদোন্নতির ধারাবাহিকতা ও প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা মো. তারিক হোসেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়। অভিযোগকারীর দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের কথা বলেন। কথোপকথনে তিনি নিজেকে হাজী বলেও পরিচয় দেন বলে দাবি করা হয়েছে।

পদোন্নতির ধারাবাহিকতা নিয়ে প্রশ্ন

অভিযোগকারীদের দাবি, তারিক হোসেন প্রথমে পারচেজ ম্যানেজার, পরে স্টোর ম্যানেজার এবং এরপর সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) পদে উন্নীত হন। বিপুল অর্থের বিনিময় তিনি পদোন্নতি হন কিন্তু তাঁর পদোন্নতির সময়কাল, যোগ্যতার বিবরণ, প্রযোজ্য বিধিমালা এবং সংশ্লিষ্ট আদেশ পর্যালোচনা হয়েছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুসরণ করা হয়েছে কি না, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার চাকরির নথিতে কোনো বিভাগীয় অভিযোগ ছিল কি না এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত কর্তৃপক্ষের ভূমিকা কী ছিল—এসব বিষয় খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ

ইস্টার্ন রিফাইনারি দেশের জ্বালানি খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল শিল্পপ্রতিষ্ঠান। সেখানে অফিসকক্ষে নিষিদ্ধ মাদক সেবনের অভিযোগ সত্য হলে তা শুধু কর্মশৃঙ্খলার বিষয় নয়, প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলবে।

নারীদের পানীয়তে মাদক মেশানোর অভিযোগ

প্রদত্ত তথ্যে, প্রতিষ্ঠানের বাইরে কয়েকজন নারীকে তাঁদের অজান্তে পানীয়ের সঙ্গে ইয়াবা মিশিয়ে খাওয়ানোর অভিযোগও করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ

মো. তারিক হোসেনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর বিষয়ে ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য, পদোন্নতির আদেশ এবং কোনো বিভাগীয় তদন্ত হয়েছে কি না—এসব তথ্য জানা প্রয়োজন। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য ও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ নিশ্চিত করাও জরুরি।

অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে তা কার্যকর হবে। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।