, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সিএনজি ওয়ার্কশপে ‘অন্য’ কারবার, মিলল পেনগান-পিস্তল ও গুলি গণতন্ত্র ও জনকল্যাণে অঙ্গীকারবদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান সালাহউদ্দিনের রাজনৈতিক পরিচয় দেখে অপরাধীকে ছাড় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুর্গম সীমান্তে নজরদারিতে ড্রোন, রাতে চলবে থার্মাল প্রযুক্তি পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা চান মন্ত্রী ‘ঢাকায় বসে শুধু নির্দেশনা নয়, মাঠে থেকে পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নিতে চাই’ ২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, চট্টগ্রাম থেকে ৪ মাসের শিশু উদ্ধার ঢাকায় ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৪২, উদ্ধার অস্ত্র-ইয়াবা যাত্রাবাড়ী, তুরাগ ও লালবাগে পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৭ নতুন বেতনস্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার, সর্বোচ্চ ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা

২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, চট্টগ্রাম থেকে ৪ মাসের শিশু উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ২৩ ঘন্টা আগে
  • ২৩ পড়া হয়েছে

২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, চট্টগ্রাম থেকে ৪ মাসের শিশু উদ্ধার

স্বাধীন খবর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে অপহৃত চার মাসের একটি শিশুকে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব। এ ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকেও আটক করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টা ৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানার কমিশনার গলির কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র‍্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ দল এ অভিযান চালায়।

আটক দুজন হলেন মো. আলম ওরফে নুরুল আলম (৩০) এবং ত্রিশা ওরফে মারিয়া ওরফে সানজিনা আক্তার তিশা (২৫)। তাঁদের কাছ থেকে অপহৃত শিশু মারুফা জান্নাত মাহিকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ আগস্ট শিশুটি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে ফুপুর অতিথি হিসেবে আলম ও তিশার সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়।

পরদিন ২২ আগস্ট বিকেল পাঁচটার দিকে তিশা শিশুটিকে কোলে নিয়ে পাশের ঘরে মোবাইল ফোন চার্জ দিতে যাওয়ার কথা বলে বের হন। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে আর পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে আলম ও তিশাকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এরপর শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় যোগাযোগ করা হয়। র‍্যাব জানায়, গত ২৬ আগস্ট দুটি মোবাইল নম্বর থেকে শিশুটির মায়ের নম্বরে ফোন করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে শিশুটিকে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও এক-দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি ২৬ আগস্ট করা হয়।

র‍্যাব-৭ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মামলার এজাহারভুক্ত তৃতীয় ও চতুর্থ আসামি চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১৫ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে এবং তাঁদের হেফাজত থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

সিএনজি ওয়ার্কশপে ‘অন্য’ কারবার, মিলল পেনগান-পিস্তল ও গুলি

২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, চট্টগ্রাম থেকে ৪ মাসের শিশু উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ২৩ ঘন্টা আগে

২ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, চট্টগ্রাম থেকে ৪ মাসের শিশু উদ্ধার

স্বাধীন খবর চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি থেকে অপহৃত চার মাসের একটি শিশুকে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে র‍্যাব। এ ঘটনায় করা মামলার এজাহারভুক্ত দুই আসামিকেও আটক করা হয়েছে।

সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ১১টা ৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানার কমিশনার গলির কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়। র‍্যাব-৭, চট্টগ্রাম ও র‍্যাব-১৫, কক্সবাজারের যৌথ দল এ অভিযান চালায়।

আটক দুজন হলেন মো. আলম ওরফে নুরুল আলম (৩০) এবং ত্রিশা ওরফে মারিয়া ওরফে সানজিনা আক্তার তিশা (২৫)। তাঁদের কাছ থেকে অপহৃত শিশু মারুফা জান্নাত মাহিকে উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ আগস্ট শিশুটি তার বাবা-মায়ের সঙ্গে নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ইসলামপুর এলাকায় ফুপুর বাড়িতে বেড়াতে যায়। সেখানে ফুপুর অতিথি হিসেবে আলম ও তিশার সঙ্গে তাঁদের পরিচয় হয়।

পরদিন ২২ আগস্ট বিকেল পাঁচটার দিকে তিশা শিশুটিকে কোলে নিয়ে পাশের ঘরে মোবাইল ফোন চার্জ দিতে যাওয়ার কথা বলে বের হন। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে আর পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে আলম ও তিশাকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এরপর শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় যোগাযোগ করা হয়। র‍্যাব জানায়, গত ২৬ আগস্ট দুটি মোবাইল নম্বর থেকে শিশুটির মায়ের নম্বরে ফোন করে দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে শিশুটিকে ফেলে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও এক-দুজনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলাটি ২৬ আগস্ট করা হয়।

র‍্যাব-৭ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, মামলার এজাহারভুক্ত তৃতীয় ও চতুর্থ আসামি চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানা এলাকায় অবস্থান করছেন। পরে র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১৫ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করে এবং তাঁদের হেফাজত থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে।

আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে র‍্যাব।