, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাক থেকে স্ক্র্যাপ লোহা চুরি, চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ নজরদারি বাংলাদেশে অফিস খুলতে মেটাকে শামা ওবায়েদের আহ্বান আইনে স্বীকৃতি, তবু বদলায়নি গৃহকর্মীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে অজয় বাঙ্গার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক প্রাথমিক শিক্ষায় এআই: এবার শিক্ষক প্রশিক্ষণে জোর মেয়র অনূর্ধ্ব-১৩ একাডেমি কাপে সিএফটিসির দায়িত্বে যারা ঢাকায় শুরু পাকিস্তানি পণ্যের প্রদর্শনী, অংশ নিয়েছেন শতাধিক প্রতিষ্ঠান যানজট-ডেঙ্গু-জলাবদ্ধতা: ঢাকার তিন সংকটে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ সামনে রেখে বাংলাদেশের ‘কণ্ঠস্বর’ ঠিক করার প্রস্তুতি পিপলস হাসপাতাল ঘিরে পুরোনো বিতর্ক, পার্কিং ও রোগীসেবায় নতুন অভিযোগ

সামনে রেখে বাংলাদেশের ‘কণ্ঠস্বর’ ঠিক করার প্রস্তুতি

  • প্রকাশের সময় : ১৪ ঘন্টা আগে
  • ১৬ পড়া হয়েছে

সামনে রেখে বাংলাদেশের ‘কণ্ঠস্বর’ ঠিক করার প্রস্তুতি

স্বাধীন খবর নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর স্বার্থ, জলবায়ু অর্থায়ন ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক আলোচনায় আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে কপ-৩১ সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে দেশের অবস্থান কী হবে, কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে এবং কীভাবে তা তুলে ধরা হবে—এসব নিয়ে চলছে কারিগরি প্রস্তুতি।

বুধবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে কপ-৩১ কারিগরি সমন্বয় কমিটির দ্বিতীয় সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।
সভায় বাংলাদেশের খসড়া পজিশন পেপার প্রস্তুতের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে এটি চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ‘জাস্ট ট্রানজিশন’, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (CBAM), আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নিয়ে কারিগরি প্রতিবেদন ও পলিসি ব্রিফ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।

আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের স্বার্থ তুলে ধরতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জোট (এলডিসি গ্রুপ), উন্নয়নশীল দেশ ও সমমনা দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের অভিন্ন স্বার্থের বিষয়গুলোতে যৌথ অবস্থানের সুযোগও পর্যালোচনা করা হবে।

প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশের জলবায়ু বাস্তবতা
কপ-৩১ সম্মেলনস্থলে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়নে দেশের জলবায়ু ঝুঁকি ও অভিযোজনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDC 3.0), জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP), জলবায়ু অর্থায়ন, ক্ষয়ক্ষতি ও ক্ষতি (Loss and Damage), নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কার্বন বাজার, প্রকৃতিনির্ভর সমাধান এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগ তুলে ধরা হবে।
প্যাভিলিয়নের নকশা, ব্র্যান্ডিং, প্রদর্শনী উপকরণ এবং সাইড ইভেন্টের ক্যালেন্ডার চূড়ান্ত করার কাজও এগিয়ে চলছে।

সভায় কপ-৩১-এর মূল আলোচনায় বিষয়ভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং নতুন ও তরুণ কর্মকর্তাদের আলোচনায় সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রতিনিধিদলের নিবন্ধন, ভিসা, যাতায়াত ও আবাসনের প্রস্তুতিও আলোচনায় আসে।

এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। কপ-৩১-এর প্রস্তুতি সমন্বয়ে গত ১৮ আগস্ট একটি কারিগরি সমন্বয় কমিটি ও তিনটি উপকমিটি গঠন করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ-৩১ অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের অংশ হিসেবে ১১ ও ১২ নভেম্বর বিশ্বনেতাদের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

 

জনপ্রিয়

চলন্ত ট্রাক থেকে স্ক্র্যাপ লোহা চুরি, চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ নজরদারি

সামনে রেখে বাংলাদেশের ‘কণ্ঠস্বর’ ঠিক করার প্রস্তুতি

প্রকাশের সময় : ১৪ ঘন্টা আগে

সামনে রেখে বাংলাদেশের ‘কণ্ঠস্বর’ ঠিক করার প্রস্তুতি

স্বাধীন খবর নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর স্বার্থ, জলবায়ু অর্থায়ন ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক আলোচনায় আরও জোরালোভাবে তুলে ধরতে কপ-৩১ সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। তুরস্কের আনতালিয়ায় অনুষ্ঠেয় সম্মেলনে দেশের অবস্থান কী হবে, কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে এবং কীভাবে তা তুলে ধরা হবে—এসব নিয়ে চলছে কারিগরি প্রস্তুতি।

বুধবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ে কপ-৩১ কারিগরি সমন্বয় কমিটির দ্বিতীয় সভায় এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।
সভায় বাংলাদেশের খসড়া পজিশন পেপার প্রস্তুতের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে এটি চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ‘জাস্ট ট্রানজিশন’, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কার্বন বর্ডার অ্যাডজাস্টমেন্ট মেকানিজম (CBAM), আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা নিয়ে কারিগরি প্রতিবেদন ও পলিসি ব্রিফ তৈরির বিষয়েও আলোচনা হয়।

আন্তর্জাতিক জলবায়ু আলোচনায় বাংলাদেশের স্বার্থ তুলে ধরতে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জোট (এলডিসি গ্রুপ), উন্নয়নশীল দেশ ও সমমনা দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ, নেপাল ও ভুটানের অভিন্ন স্বার্থের বিষয়গুলোতে যৌথ অবস্থানের সুযোগও পর্যালোচনা করা হবে।

প্যাভিলিয়নে বাংলাদেশের জলবায়ু বাস্তবতা
কপ-৩১ সম্মেলনস্থলে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়নে দেশের জলবায়ু ঝুঁকি ও অভিযোজনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDC 3.0), জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (NAP), জলবায়ু অর্থায়ন, ক্ষয়ক্ষতি ও ক্ষতি (Loss and Damage), নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কার্বন বাজার, প্রকৃতিনির্ভর সমাধান এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উদ্যোগ তুলে ধরা হবে।
প্যাভিলিয়নের নকশা, ব্র্যান্ডিং, প্রদর্শনী উপকরণ এবং সাইড ইভেন্টের ক্যালেন্ডার চূড়ান্ত করার কাজও এগিয়ে চলছে।

সভায় কপ-৩১-এর মূল আলোচনায় বিষয়ভিত্তিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা এবং নতুন ও তরুণ কর্মকর্তাদের আলোচনায় সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রতিনিধিদলের নিবন্ধন, ভিসা, যাতায়াত ও আবাসনের প্রস্তুতিও আলোচনায় আসে।

এর আগে ৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত প্রথম সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতিও পর্যালোচনা করা হয়। কপ-৩১-এর প্রস্তুতি সমন্বয়ে গত ১৮ আগস্ট একটি কারিগরি সমন্বয় কমিটি ও তিনটি উপকমিটি গঠন করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

আগামী ৯ থেকে ২০ নভেম্বর তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ-৩১ অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনের অংশ হিসেবে ১১ ও ১২ নভেম্বর বিশ্বনেতাদের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।