, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
রাস্তা নাকি হাসপাতালের জায়গা, সাজিনাজের জমি নিয়ে বিরোধ শ্রমিকদের ব্যবহার করে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্বালানি, শিল্প ও পরিবহন খাতে বিনিয়োগে চীনের সঙ্গে সমঝোতা নির্মাণকাজে মান নিয়ে প্রশ্ন, দায় নিতে নারাজ ঠিকাদারেরা জুয়েলের পক্ষে রাজনীতি না করায় হুমকি, পরে খুন হন যুবদলকর্মী জীবন কমিটির সুপারিশ ছাড়াই ১৭৪ ভবনের নকশা অনুমোদন, সাবেক মেয়রের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা শ্রমিকদের মজুরি নির্ধারণে ছয় সদস্যের বোর্ড, কাজে ফেরার আহ্বান মন্ত্রীর পুলিশের দায়িত্বে রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রভাব চলবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দুই শ্রমিকের মৃত্যুর পরও প্রশ্নের মুখে রাসায়নিক ব্যবসার নিরাপত্তা, ঝুঁকিতে কর্ণফুলী নোমান কলেজ রোড বইয়ের পাশাপাশি খেলনা দিয়ে শেখানো হবে প্রাথমিকের শিশুদের

রাস্তা নাকি হাসপাতালের জায়গা, সাজিনাজের জমি নিয়ে বিরোধ

  • প্রকাশের সময় : ৫ ঘন্টা আগে
  • ২৬ পড়া হয়েছে

খাসজমি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রশ্ন, সাজিনাজ হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণে বিতর্ক জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে জমি লিজ নেওয়ার দাবি কর্তৃপক্ষের, দেখাতে পারেনি দলিল

স্বাধীন খবর নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ লিংক রোড এলাকায় সাজিনাজ হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে সরকারি জমির মালিকানা ও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকারি খাসজমি ও চলাচলের জন্য রেকর্ডভুক্ত জায়গায় হাসপাতালের নতুন ভবন ও গাড়ি পার্কিং নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জালালাবাদ মৌজার বিএস খতিয়ান নম্বর ৬৩ এবং বিএস দাগ নম্বর ৮৫৫-এর সংশ্লিষ্ট জমি চলাচলের রাস্তা হিসেবে রেকর্ডভুক্ত। তাঁদের অভিযোগ, এই জমিতে হাসপাতালের নতুন ভবন ও পার্কিং নির্মাণ করা হলে সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে সেখানে ভবন ও পার্কিং নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতিবেদককে লিজসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ফলে জমিটির প্রকৃত মালিকানা, শ্রেণি এবং লিজের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ লোকমান হাকিম গত ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লোকমান হাকিম বলেন, জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা দখল করে ভবন ও পার্কিং নির্মাণের উদ্যোগ বন্ধ করতে তিনি অভিযোগ দিয়েছেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে রাস্তাটি সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের মতে, সরকারি খাসজমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনানুগ বন্দোবস্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকা জরুরি। একইভাবে কোনো জমি জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা হিসেবে রেকর্ডভুক্ত থাকলে সেখানে স্থাপনা নির্মাণের আগে জমির শ্রেণি, ব্যবহার ও অনুমোদনের বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।

এ অবস্থায় সাজিনাজ হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জমির মালিকানা, লিজের দলিল, অনুমোদিত নকশা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জমির প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা রেকর্ড অনুযায়ী উন্মুক্ত রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে।

জমির শ্রেণি, লিজের বৈধতা এবং নির্মাণের অনুমোদনসংক্রান্ত নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে বিষয়টির প্রকৃত অবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

রাস্তা নাকি হাসপাতালের জায়গা, সাজিনাজের জমি নিয়ে বিরোধ

রাস্তা নাকি হাসপাতালের জায়গা, সাজিনাজের জমি নিয়ে বিরোধ

প্রকাশের সময় : ৫ ঘন্টা আগে

খাসজমি ও চলাচলের রাস্তা নিয়ে প্রশ্ন, সাজিনাজ হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণে বিতর্ক জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে জমি লিজ নেওয়ার দাবি কর্তৃপক্ষের, দেখাতে পারেনি দলিল

স্বাধীন খবর নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ লিংক রোড এলাকায় সাজিনাজ হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণকে কেন্দ্র করে সরকারি জমির মালিকানা ও জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সরকারি খাসজমি ও চলাচলের জন্য রেকর্ডভুক্ত জায়গায় হাসপাতালের নতুন ভবন ও গাড়ি পার্কিং নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জালালাবাদ মৌজার বিএস খতিয়ান নম্বর ৬৩ এবং বিএস দাগ নম্বর ৮৫৫-এর সংশ্লিষ্ট জমি চলাচলের রাস্তা হিসেবে রেকর্ডভুক্ত। তাঁদের অভিযোগ, এই জমিতে হাসপাতালের নতুন ভবন ও পার্কিং নির্মাণ করা হলে সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ সংকুচিত বা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে জমি লিজ নিয়ে সেখানে ভবন ও পার্কিং নির্মাণ করা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রতিবেদককে লিজসংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ফলে জমিটির প্রকৃত মালিকানা, শ্রেণি এবং লিজের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ লোকমান হাকিম গত ১২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

লোকমান হাকিম বলেন, জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা দখল করে ভবন ও পার্কিং নির্মাণের উদ্যোগ বন্ধ করতে তিনি অভিযোগ দিয়েছেন। একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে রাস্তাটি সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের মতে, সরকারি খাসজমি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইনানুগ বন্দোবস্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন থাকা জরুরি। একইভাবে কোনো জমি জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা হিসেবে রেকর্ডভুক্ত থাকলে সেখানে স্থাপনা নির্মাণের আগে জমির শ্রেণি, ব্যবহার ও অনুমোদনের বিষয়টি যাচাই করা প্রয়োজন।

এ অবস্থায় সাজিনাজ হাসপাতালের নতুন ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে জমির মালিকানা, লিজের দলিল, অনুমোদিত নকশা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের ছাড়পত্র যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে জমির প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণ করতে হবে। পাশাপাশি জনসাধারণের চলাচলের রাস্তা রেকর্ড অনুযায়ী উন্মুক্ত রাখার ব্যবস্থা নিতে হবে।

জমির শ্রেণি, লিজের বৈধতা এবং নির্মাণের অনুমোদনসংক্রান্ত নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে বিষয়টির প্রকৃত অবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।