, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
চলন্ত ট্রাক থেকে স্ক্র্যাপ লোহা চুরি, চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ নজরদারি বাংলাদেশে অফিস খুলতে মেটাকে শামা ওবায়েদের আহ্বান আইনে স্বীকৃতি, তবু বদলায়নি গৃহকর্মীদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে অজয় বাঙ্গার সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক প্রাথমিক শিক্ষায় এআই: এবার শিক্ষক প্রশিক্ষণে জোর মেয়র অনূর্ধ্ব-১৩ একাডেমি কাপে সিএফটিসির দায়িত্বে যারা ঢাকায় শুরু পাকিস্তানি পণ্যের প্রদর্শনী, অংশ নিয়েছেন শতাধিক প্রতিষ্ঠান যানজট-ডেঙ্গু-জলাবদ্ধতা: ঢাকার তিন সংকটে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ সামনে রেখে বাংলাদেশের ‘কণ্ঠস্বর’ ঠিক করার প্রস্তুতি পিপলস হাসপাতাল ঘিরে পুরোনো বিতর্ক, পার্কিং ও রোগীসেবায় নতুন অভিযোগ

গবেষণার সুফল মাঠে পৌঁছাতে হবে, বিজ্ঞানীদের স্বীকৃতিও নিশ্চিত করতে হবে

  • প্রকাশের সময় : ০১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১ পড়া হয়েছে

গবেষণার সুফল সরাসরি খামারি-উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর তাগিদ

স্বাধীন খবর ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬:

গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করার কথা বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

মন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞানীরা তাদের মেধা, শ্রম, সময় ও নিষ্ঠা ব্যয় করে নতুন প্রযুক্তি ও জ্ঞান সৃষ্টি করেন। এসব উদ্ভাবন ও গবেষণালব্ধ অর্জনের যথাযথ স্বীকৃতি না পেলে ভবিষ্যতে গবেষণার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। তাই বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের যথাযথ মূল্যায়ন এবং স্বীকৃতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) পরিচালনা বোর্ডের ৪৯তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রী।
সভায় মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, উন্নত জাত উদ্ভাবন, নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণা কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ, বাস্তবমুখী ও জনকল্যাণমুখী করতে হবে, যাতে গবেষণার সুফল সরাসরি খামারি ও উদ্যোক্তারা পান।

তিনি গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্রুত মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রেখে উদ্ভাবনের বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, দেশের প্রাণিসম্পদ খাত আজ যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার পেছনে গবেষকদের দীর্ঘদিনের নিরলস পরিশ্রম ও অবদান রয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর, আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

উদ্ভাবনী গবেষণাকে উৎসাহিত করতে বিজ্ঞানীদের জন্য প্রণোদনা ও স্বীকৃতির সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বিএলআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ছাদেক আহমেদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ আবদুস সামাদ, বোর্ডের সদস্য ডা. মো. সফিউল আহাদ সরদার এবং বোর্ডের সদস্যসচিব ও বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকসহ পরিচালনা বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিএলআরআইয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক, আর্থিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও গতিশীল, কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

 

জনপ্রিয়

চলন্ত ট্রাক থেকে স্ক্র্যাপ লোহা চুরি, চট্টগ্রামে পুলিশের বিশেষ নজরদারি

গবেষণার সুফল মাঠে পৌঁছাতে হবে, বিজ্ঞানীদের স্বীকৃতিও নিশ্চিত করতে হবে

প্রকাশের সময় : ০১:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গবেষণার সুফল সরাসরি খামারি-উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছানোর তাগিদ

স্বাধীন খবর ঢাকা, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬:

গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে আরও এগিয়ে নিতে বিজ্ঞানীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করার কথা বলেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।

মন্ত্রী বলেন, বিজ্ঞানীরা তাদের মেধা, শ্রম, সময় ও নিষ্ঠা ব্যয় করে নতুন প্রযুক্তি ও জ্ঞান সৃষ্টি করেন। এসব উদ্ভাবন ও গবেষণালব্ধ অর্জনের যথাযথ স্বীকৃতি না পেলে ভবিষ্যতে গবেষণার প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। তাই বিজ্ঞানীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনের যথাযথ মূল্যায়ন এবং স্বীকৃতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার সকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) পরিচালনা বোর্ডের ৪৯তম সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রী।
সভায় মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, উন্নত জাত উদ্ভাবন, নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদন এবং রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। গবেষণা কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ, বাস্তবমুখী ও জনকল্যাণমুখী করতে হবে, যাতে গবেষণার সুফল সরাসরি খামারি ও উদ্যোক্তারা পান।

তিনি গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি দ্রুত মাঠপর্যায়ে সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে গবেষণাগারে সীমাবদ্ধ না রেখে উদ্ভাবনের বাস্তব প্রয়োগ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।
মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, দেশের প্রাণিসম্পদ খাত আজ যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, তার পেছনে গবেষকদের দীর্ঘদিনের নিরলস পরিশ্রম ও অবদান রয়েছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর, আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

উদ্ভাবনী গবেষণাকে উৎসাহিত করতে বিজ্ঞানীদের জন্য প্রণোদনা ও স্বীকৃতির সুযোগ বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।

সভায় পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ও বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেন, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) মো. মাহমুদুল হোসাইন খান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল ইসলাম সরদার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. আবদুছ ছালাম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বিএলআরআইয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ছাদেক আহমেদ, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ আবদুস সামাদ, বোর্ডের সদস্য ডা. মো. সফিউল আহাদ সরদার এবং বোর্ডের সদস্যসচিব ও বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকসহ পরিচালনা বোর্ডের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় বিএলআরআইয়ের বিভিন্ন প্রশাসনিক, আর্থিক ও গবেষণাসংক্রান্ত বিষয় পর্যালোচনা করা হয়। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম আরও গতিশীল, কার্যকর ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।