, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভিসা থেকে ব্যাংক হিসাব—মোহনা টিভিকে ঘিরে যত প্রশ্ন . ৯ ও ১১ বছর বয়সে কোরআন হিফজ, উম্মুলক্বোরা মহিলা একাডেমিতে আনন্দের আয়োজন ইস্টার্ন রিফাইনারিতে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইয়াবা সেবনের অভিযোগ, পদোন্নতি ঘিরেও প্রশ্ন সাংবাদিকের নিরাপত্তা চেয়ে সিএমপি কমিশনারের কাছে সিআরএর স্মারকলিপি পুনর্বিনিয়োগের জোরে তিন মাসে এফডিআই ৩৪৭ মিলিয়ন ডলার আন্তর্জাতিক সংসদীয় অঙ্গনে বাংলাদেশের দুই অর্জন হুমকির জবাব কর্মসূচিতে, সিআরএর ঘোষণা ‘মার্চ টু পুলিশ কমিশনার’ সালাম না দেওয়াকে কেন্দ্র করে ম্যাক্সে কর্মীকে মারধরের অভিযোগ দুর্গাপূজায় নৌপথের নিরাপত্তায় বাড়ছে নজরদারি, ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণ শার্শা সীমান্তে সাড়ে ৭ কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ

ভিসা থেকে ব্যাংক হিসাব—মোহনা টিভিকে ঘিরে যত প্রশ্ন

  • প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে
  • ২০ পড়া হয়েছে

ট্যুরিস্ট ভিসায় এসে টেলিভিশনে দায়িত্ব পালনের অভিযোগ, প্রশ্নে মোহনা টিভিতে আর্থিক লেনদেনের

স্বাধীন খবর :

মোহনা টিভিতে মার্কিন নাগরিক লরি এমদাদের ভূমিকা, বেতন পরিশোধ ও পারিবারিক আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তদন্তের দাবি

একজন বিদেশি নাগরিকের বাংলাদেশে অবস্থানের ভিসা, কর্মসংস্থানের অনুমতি এবং একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলে তাঁর দায়িত্ব পালনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মার্কিন নাগরিক লরি এমদাদ। অভিযোগ রয়েছে, পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে ফিরে তিনি মোহনা টিভির কার্যক্রমে যুক্ত হন। তাঁর পারিশ্রমিক পরিশোধের পদ্ধতি এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, ব্যাংক লেনদেন, করসংক্রান্ত তথ্য এবং প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য প্রয়োজন।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে বাংলাদেশে ফেরার পর লরি এমদাদ মোহনা টিভিতে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তাঁর নিয়োগের ধরন, আনুষ্ঠানিক পদ, দায়িত্বের পরিধি এবং বিদেশি নাগরিক হিসেবে কাজ করার প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল কি না—এসব বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া জরুরি।

ভিসা ও কর্মসংস্থানের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ভিসার শর্ত, ওয়ার্ক পারমিট এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গুরুত্বপূর্ণ। লরি এমদাদ কোন ধরনের ভিসায় দেশে প্রবেশ করেছেন এবং মোহনা টিভিতে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়েছিলেন কি না, তা সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযোগকারীদের দাবি, পর্যটক ভিসায় দেশে এসে তিনি টেলিভিশন চ্যানেলটির কার্যক্রমে যুক্ত হন। অভিযোগটি সত্য হলে তা প্রযোজ্য অভিবাসন ও কর্মসংস্থানবিধির আলোকে পর্যালোচনার দাবি রাখে। এ বিষয়ে তাঁর ভিসার শর্ত, নিয়োগপত্র ও কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনুমোদন পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

ছেলের ব্যাংক হিসাবে বেতন দেওয়ার অভিযোগ

লরি এমদাদের পারিশ্রমিক তাঁর নিজের ব্যাংক হিসাবের পরিবর্তে ছেলে কাদিনের ব্যাংক হিসাবে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের আশঙ্কা, এ ধরনের লেনদেনের মাধ্যমে করসংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা এড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ থেকেই কর ফাঁকি বা অর্থ পাচার প্রমাণিত হয় না। অর্থের উৎস, লেনদেনের উদ্দেশ্য, প্রকৃত সুবিধাভোগী, হিসাবের মালিকের ভূমিকা এবং সংশ্লিষ্ট কর নথি পরীক্ষা করে বিষয়টি নির্ধারণ করতে হবে।

মোহনা টিভির বেতন পরিশোধের হিসাব ও আর্থিক নথি যাচাই করা হলে অভিযোগটির প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হতে পারে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট রাজস্ব ও আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষও বিষয়টি পরীক্ষা করতে পারে।

মেয়ের পদ ও ভবন ভাড়া নিয়েও অভিযোগ

লরি এমদাদের মেয়ে বুশরা মোহনা টিভিতে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রতিষ্ঠান থেকে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের পারিশ্রমিক নিচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে টেলিভিশন চ্যানেলটির ভবন ভাড়ার অর্থ তাঁর কাছে যাচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন। বুশরার নিয়োগ ও দায়িত্বের শর্ত কী, ভবনটির মালিকানা কার, ভাড়ার চুক্তিতে কার নাম রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের হিসাব থেকে কাকে কী পরিমাণ অর্থ দেওয়া হচ্ছে—এসব তথ্য নথির মাধ্যমে নিশ্চিত করা জরুরি।

পরিবারের একাধিক সদস্যের একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকলেই অনিয়ম প্রমাণিত হয় না। তবে নিয়োগ, পারিশ্রমিক ও ভাড়া পরিশোধের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা স্বচ্ছভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

যেসব প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন

লরি এমদাদের ভিসা ও কর্মসংস্থানের অনুমোদন যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। একইভাবে বেতন পরিশোধ, কর কর্তন এবং ভবন ভাড়ার লেনদেনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথি পরীক্ষা করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে আসে: লরি এমদাদ কোন ভিসায় বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং তাঁর কর্মসংস্থানের অনুমোদন ছিল কি না? তাঁর পারিশ্রমিক অন্য ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে দেওয়া হয়ে থাকলে তার চুক্তিগত ও হিসাবরক্ষণগত ভিত্তি কী? ভবন ভাড়ার অর্থ কোন চুক্তির ভিত্তিতে পরিশোধ করা হচ্ছে? প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে অবগত কি না?

নিয়মানুযায়ী একজন বিদেশী নাগরিক দেশীয় প্রতিষ্ঠানে কাজ করার যাথাযথ অনুমোদন বা প্রতিষ্ঠানের অংশিদার হলে আরজেএসসি বা বিনিয়োগকারী হলে বিডার অনুমোদন লাগে। সেক্ষেত্রে লরি এমদাদ ও তার মেয়ে বুশরার এ অনুমোদন আছে কিনা সে প্রশ্ন এখন জনমনে

এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে মোহনা টিভি কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট অভিবাসন কর্তৃপক্ষ, বিনিয়োগসংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা এবং রাজস্ব কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নথি প্রয়োজন।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে লরি এমদাদ, বুশরা এবং মোহনা টিভি কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও নেওয়া জরুরি। তাঁদের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ছাড়া অভিযোগগুলোকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। তবে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

 

জনপ্রিয়

ভিসা থেকে ব্যাংক হিসাব—মোহনা টিভিকে ঘিরে যত প্রশ্ন

ভিসা থেকে ব্যাংক হিসাব—মোহনা টিভিকে ঘিরে যত প্রশ্ন

প্রকাশের সময় : ৪ ঘন্টা আগে

ট্যুরিস্ট ভিসায় এসে টেলিভিশনে দায়িত্ব পালনের অভিযোগ, প্রশ্নে মোহনা টিভিতে আর্থিক লেনদেনের

স্বাধীন খবর :

মোহনা টিভিতে মার্কিন নাগরিক লরি এমদাদের ভূমিকা, বেতন পরিশোধ ও পারিবারিক আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তদন্তের দাবি

একজন বিদেশি নাগরিকের বাংলাদেশে অবস্থানের ভিসা, কর্মসংস্থানের অনুমতি এবং একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলে তাঁর দায়িত্ব পালনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন মার্কিন নাগরিক লরি এমদাদ। অভিযোগ রয়েছে, পর্যটক ভিসায় বাংলাদেশে ফিরে তিনি মোহনা টিভির কার্যক্রমে যুক্ত হন। তাঁর পারিশ্রমিক পরিশোধের পদ্ধতি এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সংশ্লিষ্টতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট নথি, ব্যাংক লেনদেন, করসংক্রান্ত তথ্য এবং প্রতিষ্ঠানের বক্তব্য প্রয়োজন।

অভিযোগ অনুযায়ী, গত জুলাইয়ে বাংলাদেশে ফেরার পর লরি এমদাদ মোহনা টিভিতে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। তাঁর নিয়োগের ধরন, আনুষ্ঠানিক পদ, দায়িত্বের পরিধি এবং বিদেশি নাগরিক হিসেবে কাজ করার প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল কি না—এসব বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া জরুরি।

ভিসা ও কর্মসংস্থানের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশে বিদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ভিসার শর্ত, ওয়ার্ক পারমিট এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন গুরুত্বপূর্ণ। লরি এমদাদ কোন ধরনের ভিসায় দেশে প্রবেশ করেছেন এবং মোহনা টিভিতে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিয়েছিলেন কি না, তা সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

অভিযোগকারীদের দাবি, পর্যটক ভিসায় দেশে এসে তিনি টেলিভিশন চ্যানেলটির কার্যক্রমে যুক্ত হন। অভিযোগটি সত্য হলে তা প্রযোজ্য অভিবাসন ও কর্মসংস্থানবিধির আলোকে পর্যালোচনার দাবি রাখে। এ বিষয়ে তাঁর ভিসার শর্ত, নিয়োগপত্র ও কর্মসংস্থান-সংক্রান্ত অনুমোদন পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

ছেলের ব্যাংক হিসাবে বেতন দেওয়ার অভিযোগ

লরি এমদাদের পারিশ্রমিক তাঁর নিজের ব্যাংক হিসাবের পরিবর্তে ছেলে কাদিনের ব্যাংক হিসাবে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগকারীদের আশঙ্কা, এ ধরনের লেনদেনের মাধ্যমে করসংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা এড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের অভিযোগ থেকেই কর ফাঁকি বা অর্থ পাচার প্রমাণিত হয় না। অর্থের উৎস, লেনদেনের উদ্দেশ্য, প্রকৃত সুবিধাভোগী, হিসাবের মালিকের ভূমিকা এবং সংশ্লিষ্ট কর নথি পরীক্ষা করে বিষয়টি নির্ধারণ করতে হবে।

মোহনা টিভির বেতন পরিশোধের হিসাব ও আর্থিক নথি যাচাই করা হলে অভিযোগটির প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট হতে পারে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট রাজস্ব ও আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষও বিষয়টি পরীক্ষা করতে পারে।

মেয়ের পদ ও ভবন ভাড়া নিয়েও অভিযোগ

লরি এমদাদের মেয়ে বুশরা মোহনা টিভিতে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং প্রতিষ্ঠান থেকে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের পারিশ্রমিক নিচ্ছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে টেলিভিশন চ্যানেলটির ভবন ভাড়ার অর্থ তাঁর কাছে যাচ্ছে বলেও দাবি করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় যাচাই করা প্রয়োজন। বুশরার নিয়োগ ও দায়িত্বের শর্ত কী, ভবনটির মালিকানা কার, ভাড়ার চুক্তিতে কার নাম রয়েছে এবং প্রতিষ্ঠানের হিসাব থেকে কাকে কী পরিমাণ অর্থ দেওয়া হচ্ছে—এসব তথ্য নথির মাধ্যমে নিশ্চিত করা জরুরি।

পরিবারের একাধিক সদস্যের একই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকলেই অনিয়ম প্রমাণিত হয় না। তবে নিয়োগ, পারিশ্রমিক ও ভাড়া পরিশোধের ক্ষেত্রে স্বার্থের সংঘাত বা আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তা স্বচ্ছভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

যেসব প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন

লরি এমদাদের ভিসা ও কর্মসংস্থানের অনুমোদন যাচাইয়ের দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। একইভাবে বেতন পরিশোধ, কর কর্তন এবং ভবন ভাড়ার লেনদেনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নথি পরীক্ষা করা হলে অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি প্রশ্ন সামনে আসে: লরি এমদাদ কোন ভিসায় বাংলাদেশে এসেছিলেন এবং তাঁর কর্মসংস্থানের অনুমোদন ছিল কি না? তাঁর পারিশ্রমিক অন্য ব্যক্তির ব্যাংক হিসাবে দেওয়া হয়ে থাকলে তার চুক্তিগত ও হিসাবরক্ষণগত ভিত্তি কী? ভবন ভাড়ার অর্থ কোন চুক্তির ভিত্তিতে পরিশোধ করা হচ্ছে? প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব বিষয়ে অবগত কি না?

নিয়মানুযায়ী একজন বিদেশী নাগরিক দেশীয় প্রতিষ্ঠানে কাজ করার যাথাযথ অনুমোদন বা প্রতিষ্ঠানের অংশিদার হলে আরজেএসসি বা বিনিয়োগকারী হলে বিডার অনুমোদন লাগে। সেক্ষেত্রে লরি এমদাদ ও তার মেয়ে বুশরার এ অনুমোদন আছে কিনা সে প্রশ্ন এখন জনমনে

এসব প্রশ্নের উত্তর পেতে মোহনা টিভি কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট অভিবাসন কর্তৃপক্ষ, বিনিয়োগসংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা এবং রাজস্ব কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও নথি প্রয়োজন।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে লরি এমদাদ, বুশরা এবং মোহনা টিভি কর্তৃপক্ষের বক্তব্যও নেওয়া জরুরি। তাঁদের বক্তব্য ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ছাড়া অভিযোগগুলোকে চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। তবে অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।