প্রিন্ট এর তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২, ২০২৬ || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১, ২০২৬
‘ঢাকায় বসে শুধু নির্দেশনা নয়, মাঠে থেকে পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নিতে চাই’
‘ঢাকায় বসে শুধু নির্দেশনা নয়, মাঠে থেকে পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নিতে চাই’
স্বাধীন খবর নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
‘রাষ্ট্রের কল্যাণের স্বার্থে কারও সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। পাহাড়ের মানুষের মঙ্গলের জন্য আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যেতে চাই। শুধু ঢাকায় বসে ফাইল সই বা নির্দেশনা দেওয়ার পক্ষে আমি নই; মাঠে ফিজিক্যালি উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি দেখে ব্যবস্থা নিতে চাই।’
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু এমপি এসব কথা বলেছেন।সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে কক্সবাজার জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সমন্বয়সংক্রান্ত এক সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় কক্সবাজার জেলাকে একটি সুপরিকল্পিত মাস্টার প্ল্যানের আওতায় আনার ঘোষণা দেন মন্ত্রী। একই সঙ্গে অপরাধ ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাদক নিয়ন্ত্রণে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। সীমান্তবর্তী কক্সবাজারের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।
রোহিঙ্গা সংকট ও কক্সবাজারের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও সভায় আলোচনা হয়। এ বিষয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজারের স্থানীয় সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার কথা জানান সাচিং প্রু।
জেলা প্রশাসক মো. আঃ মান্নানের সঞ্চালনায় সভায় সীমান্ত অপরাধ ও চোরাচালান বন্ধ, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান জোরদার, অপহরণ ও মানব পাচার প্রতিরোধ, সারের পাচার রোধ এবং সুষম বণ্টন নিশ্চিত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়া পর্যটন নগরী কক্সবাজারের যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা উন্নত করা এবং সেন্টমার্টিনে অবৈধ স্থাপনা ও রিসোর্ট নির্মাণ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও প্রশাসনের সমন্বয়ে নিয়মিত যৌথ টহল এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার ওপর জোর দেওয়া হয়।
সভায় স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ, বিজিবি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পল্লী বিদ্যুৎসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জুম প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, স্বাধীন খবর